Wellcome to National Portal
মেনু নির্বাচন করুন
Main Comtent Skiped

উপজেলা প্রশাসনের পটভূমি

সলিল কন্যা মেঘনার তটস্থিত সুপ্রাচীন জনপদ আশুগঞ্জ উপজেলা। মেঘনার জলধারায় প্লাবিত উর্বর শস্য বুকে ধারন করে এ জনপদ সুপ্রাচীনকাল থেকে শিল্প, কৃষি, শিক্ষা

সহ সকলত্রে অনন্যসাধারণ ভূমিকা রেখে আসছে। প্রমত্ত মেঘনার পলিমাটি দিয়ে গড়ে উঠেছে আশুগঞ্জ উপজেলার আশুগঞ্জ সদর, চরচারতলা, দূর্গাপুর, আড়াইসিধা, তালশহর, শরীফপুর, লালপুর ও তারম্নয়া ইউনিয়ন। উপজেলার সীমানারেখা উপজেলার বৈশিষ্ট্যপূর্ন অবস্থানটিকে পরিস্ফুট করে তুলবে।

নামকরণঃআজকের বিখ্যাত আশুগঞ্জের প্রতিষ্ঠা হয় প্রায় একশত বছর পূর্বে। সবুজ শ্যামল পাখি ডাকা ছায়া সুনিবিড় মেঘনা পাড়ে আশুগঞ্জ মূলত চরচারতলা, আড়াইসিধা, যাত্রাপুর, বড়তল্লা, সোনারামপুর, তালশহর, সোহাগপুর, বাহাদুরপুর গ্রামকে ঘিরেই ১৮৯৮ খ্রিঃ গোড়াপত্তন হয়। আশুগঞ্জ পতিষ্ঠার পূর্বে এলাকার জনগন ভৈরব বাজারে গিয়েই তাদের দৈনন্দিন কেনাবেচা করত। ভৈরবের সপ্তাহিক হাট ছিল প্রতি বুধবার। ভৈরব বাজারের তদানীন্তন মালিক ভৈরব বাবু কর্তৃক আরোপিত করভারে মেঘনার পূর্ব পাড়ের ক্রেতা-বিক্রেতারা অতিষ্ট হয়ে মেঘনার পূর্ব পাড়ে সৈকতের বালিকণা তথা সোনারামপুর মাঠের উপর হাট বসিয়ে নেয়। প্রতি বুধবারে নদী সেকতের চিকচিক বালিকণার উপর হাট বসেই চললো। তখন অত্র এলাকা সরাইল পরগনার জমিদারের অধীন ছিল। তখনকার সরাইল এর জমিদার ছিলেন মহারাজ আশুতোষ নাথ। অত্র এলাকার জনগণ রাজা আশোতোষ নাথ এর আর্শীবাদ পাওয়ার জন্য রাজা আশোতোষ নাথ এর নামের সাথে গঞ্জ যোগ করে দিয়ে এর নাম করণ করা হয় আশুগঞ্জ।

 

উপজেলাটি একামত্মই নদীমাতৃক। নদীই এর প্রাণ । জীবন যাপন, রম্নটি,রোজগার মুলত কৃষি, কৃষিভিত্তিক শিল্প ও নদীনির্ভর। ঘনবসতিপূর্ন  এ উপজেলা খাদ্যে প্রায় স্বয়সম্পুর্ণ। বিদ্যুৎ ও সার উৎপাদনে এ উপজেলার রয়েছে অপরিসীম । বর্তমানে এখানে প্রায় ১৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হলেও ৭০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে সরকার কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করছেন। বর্তমানে চালু আশুগঞ্জ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কেমিকেল কোং লিমিটেড এর ২য় ইউনিট চালুর পকিল্পনা রয়েছে সরকারের। অভ্যমত্মরীন ও আমত্মর্জাতিক পন্য পরিবহনেরক ক্ষেত্রে আশুগঞ্জ নদীবন্দরের রয়েছে সমধিক গুরম্নত্ব।